নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তের পর থেকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম অনেকটা গুটিয়ে নিয়েছে কম্বোডিয়া। এছাড়া মহামারীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাজার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত মাসে চাল রফতানি স্থগিত করে দিয়েছিল দেশটি। গত ৫ এপ্রিলের পর দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি বন্ধ ছিল। তবে গত বুধবার রফতানিকারকদের ফের পণ্যটি রফতানির অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকারি, যা সামনের সপ্তাহ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। খবর সিনহুয়া ও নমপেন পোস্ট।
কম্বোডিয়ার অর্থনীতি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক নোটে জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে কম্বোডিয়ায় কোনো নতুন কভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়নি। ফলে কম্বোডিয়া রাইস ফেডারেশনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় চাল রফতানি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। ২০ মে থেকে বিদেশের ক্রয়াদেশের ভিত্তিতে খাদ্যপণ্যটির রফতানি শুরু করতে পারবেন দেশটির ব্যবসায়ীরা।
কম্বোডিয়া বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চাল উৎপাদনকারী দেশ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে প্রতি বছর দেশটি থেকে প্রচুর চাল আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হয়। চাল রফতানিকারী দেশগুলোর বৈশ্বিক তালিকায় কম্বোডিয়ার অবস্থান অষ্টম। মার্কিন কৃষি বিভাগ ইউএসডিএর ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, কম্বোডিয়ার ইতিহাসে গত বছর সবচেয়ে বেশি চাল রফতানি হয়েছে। গত বছর দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৪ লাখ টন চাল রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
এদিকে চলতি বছরও দেশটির চাল রফতানি খাতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। এক মাসের বেশি সময় ধরে রফতানি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও এ বছর দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কম্বোডিয়ার সরকারি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি থেকে মোট ৩ লাখ ২৫২ টন চাল আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হয়েছে, ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় যা ৪০ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।










