একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাবও পড়েছে রাবারের বাজারে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ওসাকা এক্সচেঞ্জে (ওএসই) আগামী জানুয়ারিতে সরবরাহের জন্য রাবারের চুক্তিমূল্য বেড়েছে ৩ ইয়েন বা দশমিক ৬৯ শতাংশ। বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৩৮ ইয়েন ৪০ সেনে। লেনদেনের একপর্যায়ে দাম ৪৩৯ ইয়েনের কাছাকাছি পৌঁছায়, যা ২৫ জুনের পর সর্বোচ্চ।
চীনের সাংহাই ফিউচারস এক্সচেঞ্জেও (এসএইচএফই) রাবারের দাম বেড়েছে। জানুয়ারির সরবরাহ চুক্তিমূল্য ২৯৫ ইউয়ান বা ১ দশমিক ৬২ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ১৮ হাজার ৪৬০ ইউয়ানে দাঁড়িয়েছে। তবে অক্টোবরের বুটাডিন রাবারের সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া চুক্তিমূল্য ১০০ ইউয়ান বা দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে ১৪ হাজার ৪৬৫ ইউয়ানে দাঁড়ায়।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাবারের প্রধান উৎপাদন মৌসুম সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। এরপর বাজারে সরবরাহ কমে আসতে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।
রাবার উৎপাদনে মৌসুমি প্রভাব রয়েছে। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত উৎপাদন কম থাকে। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে সংগ্রহের প্রধান মৌসুম। ফলে সেপ্টেম্বরের পর সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কাই পণ্যটির দাম বাড়ার অন্যতম কারণ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম বেড়েছে বিশ্ববাজারে। এর প্রভাব পড়েছে প্রাকৃতিক রাবারের দামেও। কারণ প্রাকৃতিক রাবারকে কৃত্রিম রাবারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়। আর কৃত্রিম রাবার তৈরি হয় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল থেকে।
সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জে (সিকম) নভেম্বরে সরবরাহের জন্য রাবারের চুক্তিমূল্য ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ২২৯ সেন্টে উঠেছে।










