ভবিষ্যতে লাভজনক হতে পারে এমন স্টার্টআপ বা ছোট উদ্যোগগুলোকে বিনিয়োগ করা প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল। এ বিনিয়োগ আর্থিক হতে পারে আবার কারিগরি বা ব্যবস্থাপনাগত সহায়তার মাধ্যমেও দেয়া যেতে পারে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (ভিসি) তহবিল পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। এ বৈষম্য হচ্ছে বর্ণবাদের ভিত্তিতে। সাধারণ দেশটিতে প্রতি বছর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল হিসেবে যে পরিমাণ তহবিল পাওয়া যায় তার ২ শতাংশের কম যায় কৃষ্ণাঙ্গ উদ্যোক্তাদের ঘরে। সেখানে কৃষাষ্ণ নারী মালিকানাধীন কোম্পানির এ তহবিল পাওয়ার হার ১ শতাংশেরও কম। ক্রাঞ্চবেইসের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মূল্যস্ফীতিসহ নানা কারণে ২০২২ সালে মোট ভিসি তহবিলের আকার সংকুচিত হয়েছে। সেসঙ্গে বেড়েছে সুদহারও। ক্রাঞ্চবেইসের তথ্যানুযায়ী, এ সময়ে কৃষ্ণাঙ্গ মালিকানাধীন ব্যবসায় ভিসি বিনিয়োগের পরিমাণ কমেছে ৪৫ শতাংশ। গত এক দশকে এত পতন দেখতে পাননি কৃষ্ণাঙ্গ উদ্যোক্তারা। বছর থেকে বছরের হিসাবেও এটি সবচেয়ে বড় পতন।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান পিচবুকের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক কাইল স্ট্যানফোর্ড বলেন, ২০২০ ও ২০২১-এর প্রথম ভাগ নাগাদ বেশকিছু রাজনৈতিক ও সংস্কৃতিক সংকটের ঘটনা ঘটে। যার কারণে কৃষ্ণাঙ্গ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিচয়ের উদ্যোক্তাদের বিষয়গুলো নজরে আসে। সেসঙ্গে এটাও নজরে আসে, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিলের মূল অংশই যাচ্ছে শ্বেতাঙ্গ পুরুষ উদ্যোক্তাদের ঘরে।
তবে এ বিনিয়োগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো। ম্যাক ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্লন নিকোলাস, যিনি নিজেই একজন কৃষ্ণাঙ্গ। তিনি বলেন, এটা সত্যি যে আমরা শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মালিকানাধীন উদ্যোগে বিনিয়োগ করি। কারণ সেখানে আমরা বিনিয়োগ করে স্বস্তি পাই। বিনিয়োগের আগে আমরা যেটা বিবেচনায় আনি সেটা হলো বিনিয়োগটা ফেরত পাওয়া যাবে কিনা।










