শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় ইপিএস বেড়েছে ৫ দশমিক ৩৩ গুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪২ পয়সা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুসারে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৯৪ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৭১ পয়সায়। 

এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ ডিসেম্বর। 

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছিল। এর মধ্যে ১৬ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। 

সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে কোম্পানিটি মোট ৩২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২৮ শতাংশ নগদ ও বাকি ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯-২০  হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩০ শতাংশ দিয়েছিল শাহজিবাজার পাওয়ার। এর মধ্যে ২৮ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৩ পয়সা। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডরাদের ২৮ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল শাহজিবাজার পাওয়ার। আগের হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। 

সর্বশেষ ক্রেডিট রেটিং অনুসারে, কোম্পানিটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।