আগামী বছরের জন্য কয়লা উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইন্দোনেশিয়া। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন চলতি বছরের তুলনায় বাড়বে। মূলত ঊর্ধ্বমুখী অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণেই দেশটি উত্তোলন ঊর্ধ্বমুখী রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে বিশ্বপরিমণ্ডলে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তাতে শামিল হয়েছে ইন্দোনেশিয়াও। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার কথা ভাবছে দেশটি। কিন্তু সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণযোগ্য জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এ পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ কয়লা উত্তোলক। বৈশ্বিক কয়লা রফতানিতে দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি কয়লা ব্যবহার করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশ। কয়লার বৃহৎ ভোক্তা দেশ চীন বর্তমানে দেশটি থেকে ব্যাপক হারে কয়লা আমদানি করছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় বিদ্যুৎ চাহিদার পাশাপাশি চীন ও বিভিন্ন আমদানিনির্ভর দেশে ইন্দোনেশিয়ান কয়লার শক্তিশালী চাহিদা রয়েছে। জ্বালানি পণ্যটি ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। ফলে চাইলেও সহজেই পণ্যটির ব্যবহার কিংবা বাণিজ্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না ইন্দোনেশিয়া।
দেশটির জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক সুনিন্দ সূর্য হারদাদি বলেন, ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ায় কয়লা উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা ৬৬ কোটি ৩৭ লাখ থেকে ৬৬ কোটি ৪০ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছর উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২ কোটি ৫০ লাখ টন। আগামী বছর দেশটিতে ১৯ কোটি টন কয়লার চাহিদা তৈরি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।










