কভিড-১৯-এর ধাক্কা কাটিয়ে আবার খুলতে শুরু করেছে চীনের অর্থনীতি। লকডাউন আর নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত চীনের অর্থনীতি আবার খুলে দেয়ায় এবং দেশটির স্থানীয় চাহিদা বাড়ায় ২০২৩ সালে বৈশ্বিক মোট উৎপাদন ১ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে এভাবে সবকিছু খুলে দেয়ায় তেলের দামেও প্রভাব পড়তে পারে। গোল্ডম্যান স্যাকসের এক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।

চীনে ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা ক্ষেত্র এভাবে খুলে দেয়ায় আঞ্চলিক এশিয়ান অর্থনীতি ও তেলের রফতানিকারকরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। তবে এর মাধ্যমে বেশির ভাগ অর্থনীতির মোট দেশজ উৎপাদনও (জিডিপি) বাড়বে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংকিং ও সিকিউরিটিস ফার্ম।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির নাম চীন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল জানিয়েছে, চলতি বছর দেশটির অর্থনীতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ বিস্তৃত হবে। ২০২২ সালেও প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার থেকে বেশি হয়েছিল। কভিড-১৯ মহামারীর কারণে ২০২০ সালে অনেক বেশি কমে যাওয়ার পরে ২০২১ সালে প্রবৃদ্ধি দেখা দেয় ৮ দশমিক ৪ শতাংশ।

আইএমএফ আরো জানিয়েছে, চলতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির বড় অংশ হবে ভারত ও চীনে। এই প্রবৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রের ও ইউরোপের অংশ থাকবে ১০ ভাগের মাত্র ১ ভাগ।