গাজীপুরের টঙ্গিতে অবস্থিত কোম্পানির ৯০ ডেসিমল জমি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোজ লিমিটেডের পর্ষদ। এ জমি বিক্রি করে কোম্পানিটি ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ইফাদ অটোজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৬১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইফাদ অটোজ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৮ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪১ টাকা ৩৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪০ টাকা ৮০ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইফাদ অটোজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯১ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯ শতাংশ নগদ ও সব শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ইফাদ অটোজ।
২০১৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৬৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা।










