তারা হলেন এসএকেএম সেলিম, এসএবিএম হুমায়ুন, সৈয়দ সাকেব আহমেদ, এসএফএএম শাহজাহান ও সৈয়দা মোমেনা বেগম। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) সফ্কো স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৩২ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সফ্কো স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৫০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি সফ্কো স্পিনিং মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি সফ্কো স্পিনিং মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৯৪ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাফকো স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৯ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮১ হাজার ৭১৬। এর ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৩ দশমিক ২৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










