ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে ব্র্যাক ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৫ পয়সা। সে হিসাবে তিন প্রান্তিকের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এছাড়া চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯৯ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ২২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৮৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৮ টাকা ২১ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডাদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ২১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৪ টাকা ৫৬ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্যও মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরেও ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও বাকি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আগের হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
ডিএসইতে গতকাল ব্র্যাক ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৩৫ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৩৫ টাকা ৮০ ও ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা।










