চলতি বছরের জুনে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে সুদহার বাড়ানোর গুঞ্জন এবং ভোক্তাপণ্যের সূচক সার্বিকভাবে প্রভাব ফেলেছে মূল্যস্ফীতিতে। সম্প্রতি দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ থেকেই এমনটা জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স।
২০২২ সালের মার্চের পর থেকে ভোক্তাপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল সর্বনিম্ন। যদিও অন্যান্য খাতে মূল্যসূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। রয়টার্সের পূর্বাভাসে জুনে ভোক্তাপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। বিপরীতে মে মাসে ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। মে মাসের দেয়া পূর্বাভাসে জুনের মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৯ শতাংশ স্থির করা হয়েছিল।
প্রকৃত মূল্যস্ফীতির ব্যাপারেও পতনের সম্ভাবনা ঘোষণা করেছিল ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। প্রকৃত মূল্যস্ফীতি পরিমাপের ক্ষেত্রে খাদ্য, জ্বালানি, অ্যালকোহল ও তামাকের দাম বাদ দেয়া হয়। মে মাসে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ১ শতাংশ, যা জুনে ৬ দশমিক ৯ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।
খাদ্যের মূল্যে মূল্যস্ফীতি মে মাসে ছিল ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ, যা জুনে ১ কমে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশে ঠেকেছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড চতুর্দশ বারের মতো সুদহার বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতির পরিমাণ অর্ধেকে নিয়ে আসার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদিও অর্থমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বিষয়টি বেশ কঠিন হিসেবে মনে করেন।










