কাস্টমস অ্যাক্ট ২০২৩ বাস্তবায়নে প্রযুক্তিতে আরো সমৃদ্ধ হতে হবে। স্মার্ট এনবিআরের জন্য বড় অংকের বিনিয়োগ লাগবে। এ আইন বাস্তবায়নে প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা। বুধবার (৬ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড) আয়োজিত এক সভায় এ সব কথা বলেন বক্তারা।
‘কাস্টমস অ্যাক্ট ২০২৩ ফর স্ট্রিমিলিং কাস্টমস প্রসেস, এন অ্যানালাইসিস বিষয়ক এ সভা ঢাকার মতিঝিলে বিলডের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাণিজ্য সহজীকরণ এবং কাস্টমস আইন-২০২৩ এর কার্যকর বাস্তবায়ন বিষয়ক কী নোট পেপার উপস্থাপন করেন এনবিআরের প্রথম সচিব (কাস্টমস অটোমেশন) রইছ উদ্দিন এবং কাস্টমস অ্যাক্ট ২০২৩ ফর স্ট্রিমিলিং কাস্টমস প্রসেস এন অ্যানালাইসিস বিষয়ে কী নোট পেপার তৈরি করেন এনবিআরের সাবেক সদস্য (কাস্টমস) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এইচএস কোড নিয়ে সমস্যা ঐতিহাসিক। এটার সমাধান হয়ে যাবে। আইপির অপব্যবহার রোধে অ্যাসাইকুডাতে সিস্টেম মডিউল আনতে হবে। স্মার্ট এনবিআরের জন্য আট-দশ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ লাগবে। টেকনোলজিতে আরো সমৃদ্ধ হতে হবে। কাস্টমস আইন-২০২৩ বাস্তবায়নে টেকনোলজি বেস্ট হতে হবে। ওয়েব্রিজ ও স্ক্যানার বসাতে হবে।
এফবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ বলেন, এই আইন বাস্তবায়নে মানসিকতাই বড় বাধা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ুন রশীদ বলেন, ডিউটি বেশি হলে আন্ডারইনভয়েস হয়। কাস্টমস আইনে ওয়্যারহাউজিং অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। করদাতা ও করগ্রহীতার মধ্যে সম্পর্কের একটা শুন্যতা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা সবাই চোর না। কাস্টমসের সবাইও চোর না।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এনবিআর সদস্য (কাস্টমস: অডিট, মডার্নাইজেশন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড) হুমায়ুন কবীর বলেন, একদিনেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। সময় লাগবে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত। আরো আলোচনা হবে। এটা দিয়ে শুরু। উন্নত বিশ্বে সবই অটোমেশন হয়ে গেছে। আমরা স্বপ্ন দেখি, আশা রাখি আমাদেরও হবে। মানসিকতার পরিবর্তন আমাদের উভয় পক্ষকেই করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিলড) সিইও ফেরদৌস আরা বেগম। সেশন মডারেটর ছিলেন সাবেক এনবিআর কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট) আব্দুল কাফি।










