চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার খাদ্যপণ্য আমদানিতে উত্থান-পতন বজায় ছিল। এ সময় দেশটি কিছু কিছু খাদ্যপণ্যের আমদানি বাড়িয়েছে। তবে কিছু পণ্য দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে রফতানিযোগ্য হওয়ায় সেগুলোর আমদানি কমেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় কাস্টমস সার্ভিসের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর সি নিউজ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ পরিশোধিত চিনি আমদানি করেছে। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯০০ টন। এদিকে দেশটির অপরিশোধিত চিনি আমদানি ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২ টনে পৌঁছে।

বছরের প্রথম তিন মাসে রাশিয়া আমিষ পণ্যের আমদানি কমিয়েছে। মাংস আমদানি ১৬ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৫৯ হাজার ২০০ টনে নেমেছে। অন্যদিকে হাঁস-মুরগির মাংস আমদানি ২৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪১ হাজার ৬০০ টনে নেমেছে।

মাংস আমদানি কমলেও বেড়েছে মাছ আমদানি। রাশিয়া প্রথম প্রান্তিকে ১ লাখ ১১ হাজার ২০০ টন মাছ আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

এদিকে দুধ ও কনডেনসড ক্রিম আমদানি ২০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ২৯ হাজার ২ টনে নেমেছে। মাখন আমদানি কমেছে দশমিক ৫ শতাংশ। পণ্যটি মোট আমদানি করা হয় ৩৭ হাজার ২০০ টন। তবে পনির আমদানি বেড়েছে। দুগ্ধজাত পণ্যটির আমদানি ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৮৩ হাজার ৭০০ টনে উন্নীত হয়েছে। রাশিয়া বছরের প্রথম প্রান্তিকে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ টন পাম অয়েল আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।

প্রথম প্রান্তিকে লেবুজাতীয় ফল আমদানি দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৯০০ টনে নেমেছে। পাশাপাশি কলা আমদানিও কমে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৬০০ টনে নেমেছে। তবে আপেল আমদানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৬ হাজার ২০০ টন।