বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌wট্রপল বি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড। 

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৬৯ পয়সায়। 

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। আর ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশে অসম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৪ টাকা ৮৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪০ টাকা ৪৩ পয়সা।  

১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৫। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৫ দশমিক ৯১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।