কভিড-১৯ মহামারী-পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি হারাচ্ছে চীন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাহিদার দুর্বলতা এবং আবাসন খাতের বাজারে দীর্ঘায়িত মন্দার ফলে অর্থনৈতিক গতি কমেছে দেশটিতে। খবর রয়টার্স।

অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস, চীনে দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রায় দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে। আশা করা হচ্ছে, জুনে প্রকাশিত তথ্যে শিল্প উৎপাদন, খুচরা বিক্রয় ও বিনিয়োগ স্থিতিশীল দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দেবে। কভিড-১৯ মহামারী নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ ও বেকারত্বের উচ্চহারের মতো বিষয়গুলো ভোক্তা আস্থা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে কমিয়েছে। যদিও গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিল-জুনে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বছরের একই সময়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়েছিল কভিড-১৯জনিত লকডাউনের কারণে।

অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করার জন্য চীনের কর্তৃপক্ষ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর জন্য আর্থিক ব্যয়, ভোক্তা ও বেসরকারি ফার্মগুলোর জন্য সহায়তাসহ অতিরিক্ত আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা চালু করতে পারে। 

ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ প্রদান বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট রেশিও কমাতে পারে। তবু পথ সহজ করতে সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। কারণ ব্যাংকগুলো এরই মধ্যে বেশ চাপের মুখে রয়েছে। চীনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি বিস্তৃত প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া দরকার রয়েছে। কিন্তু রাতারাতি এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট রেশিও ও মধ্যমেয়াদি ঋণ সুবিধার মতো নীতিগত পন্থাকে ব্যবহার করবে।