বৈশ্বিক গ্যাসের চাহিদা প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সাল পর্যন্ত মন্থর থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। ২০২১ সালে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় জ্বালানিটির চাহিদা শীর্ষে উঠেছে। ফলে আগামীতে চাহিদা বৃদ্ধির হার ব্যাপক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছে আইইএ। গতকাল এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলছে, নবায়নযোগ্যর মতো বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। এতে নিম্নমুখী হবে গ্যাসের ব্যবহার। খবর রয়টার্স।

আইইএর বার্ষিক মধ্যমেয়াদি বাজার জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২-২৬ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা গড়ে ১ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়তে পারে, যা ২০১৭-২১ সময়কার চাহিদা বৃদ্ধির হারের তুলনায় মন্থর। ওই সময় বৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

আইইএর প্রতিবেদন বলছে, ২০২১ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় সব দিক থেকে গ্যাসের চাহিদা সর্বোচ্চে ওঠে। সংস্থাটির পূর্বাভাসমতে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত জ্বালানিটির চাহিদা বার্ষিক ১ শতাংশ কমে যেতে পারে।

চাহিদা কমে যাওয়ার বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সময় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়বে। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কিছুটা কমে আসবে। পাশাপাশি গ্যাসের মতো অন্যান্য শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার সক্ষমতাও বাড়বে। ফলে জ্বালানিটির ব্যবহার সাশ্রয় হবে বলে মনে করে সংস্থাটি।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত বছর বৈশ্বিক গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অস্থিরতা দেখা দেয়। রাশিয়া থেকে ইউরোপে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ সীমিত হয়ে যায়। এতে জ্বালানিটির বিকল্প সরবরাহ নিয়ে বাজারে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।