পর পর দুই প্রান্তিকে ওয়াল স্ট্রিটের বিক্রি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি ফ্যাশন ব্র্যান্ড আমেরিকান ঈগল। তবে আগস্টের শুরুতে শেষ হওয়া প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে ৬০ শতাংশ। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার সুফল পেয়েছে কোম্পানিটি। খবর সিএনবিসি।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (এলএসইজি) তথ্যমতে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আমেরিকান ঈগলের মুনাফা হয়েছে ১২৯ কোটি ডলার, যা ওয়াল স্ট্রিটের পূর্বাভাসকৃত ১৩১ কোটি ডলারের চেয়ে কিছুটা কম। শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩৯ সেন্ট, যেখানে ওয়াল স্ট্রিটের পূর্বাভাস ছিল ৩৮ সেন্ট।
৩ আগস্ট পর্যন্ত ৯০ দিনে কোম্পানিটির নিট আয় ছিল ৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৯ সেন্ট। গত বছরের একই সময়ে নিট আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ২৫ সেন্ট। সে অনুযায়ী এ ৯০ দিনে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের ১২০ কোটি ডলার থেকে ৮ শতাংশ বেড়ে বিক্রি হয়েছে ১২৯ কোটি ডলারের পণ্য। দ্বিতীয় প্রান্তিকে আমেরিকান ঈগলের মালিকানাধীন এরির মুনাফা বেড়েছে ৯ শতাংশ।
আমেরিকান ঈগলের প্রান্তিক মুনাফা গত বছরের তুলনায় দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে হয়েছে ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উৎপাদন খরচ সহনীয় পর্যায়ে থাকায় প্রান্তিক মুনাফা বেড়েছে।
বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান স্ট্রিট অ্যাকাউন্ট ও এলএসইজির তথ্যমতে, আমেরিকান ঈগল আশা করছে এ বছর তাদের বিক্রি প্রায় ৪ শতাংশ বাড়বে। এ সময় মুনাফা ২-৩ শতাংশ বাড়বে, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে কম। ওয়াল স্ট্রিট অবশ্য পুরো বছরে বিক্রি ৪ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং সামগ্রিক বিক্রি বাড়বে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মাইক ম্যাথিয়াস বলেন, ‘আমেরিকান ঈগল বছরের বাকি সময় সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করছে। কারণ সুদহারের বিষয়ে ফেডারেল রিজার্ভ কী সিদ্ধান্ত নেয় তা জানতে হবে। পাশাপাশি আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে উদ্বেগ তো আছেই।’
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জে স্কটেনস্টাইন বলেন, ‘যত বছর ধরে আমি এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, সম্ভবত কোম্পানির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সুযোগ দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের ব্যবসার বাজারমূল্য ৫০০ কোটি ডলার। আমরা বিশ্বাস করি কয়েক বছরের মধ্যে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ১ হাজার কোটি ডলার।’










