এ জেটির মাধ্যমে অঞ্চলের শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সমুদ্রপথে আরো দ্রুত, সহজ ও সুবিধাজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বেজা।
গতকাল বেজা কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বেজার নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মেজর জেনারেল (অব.) নজরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ এবং নির্বাহী সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে বিআইডব্লিউটিএর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফাসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তি অনুযায়ী, জেটিসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণে বেজা কর্তৃক জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) এবং সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে যথাক্রমে ৬ দশমিক ১৮ একর ও ৫ একর জায়গা এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্মিত জেটি থেকে প্রাপ্ত নিট মুনাফা বেজা ও বিআইডব্লিউটিএর মধ্যে যথাক্রমে ৪৫:৫৫ অনুপাতে বিভাজিত হবে। উল্লেখ্য, সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে নির্মিতব্য জেটিটি পর্যটকদের কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বেজার নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মেজর জেনারেল (অব.) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করে এবং জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্পাঞ্চলে পরিণত করতে এ জেটি অসামান্য ভূমিকা রাখবে।’
বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, ‘সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে নানা প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও পর্যটন শিল্পের অসীম সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বেজা সেখানে জেটি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’ তিনি বিআইডব্লিউটিএকে অভিনন্দন জানান বেজার এ অগ্রযাত্রায় সঙ্গী হওয়ার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, সাবরাংয়ে এ জেটি নির্মাণ হলে দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন পর্যটন স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।










