চীনে কেবিন ক্রু পদে আবেদন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। উচ্চ বেতন ও চাকরির নিরাপত্তার কারণে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করা তরুণ-তরুণীরা আগ্রহী হয়ে উঠছে এ পেশায়। সম্প্রতি দেশটির এয়ারলাইনস থেকে বড় ধরনের নিয়োগের ঘোষণা আসে। এর সঙ্গে আবেদন জমা দেয়ার হারও বাড়ছে। খবর রয়টার্স।
সিভিল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না (সিএএসি) প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, কভিড-১৯ মহামারীর সময় চীনে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের সংখ্যা ১১ হাজার কমে গিয়েছিল, যা মোট কর্মীর ১১ শতাংশ। মহামারীর আগে ২০১৯ সালে কর্মী ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৯৫৫ জন। মহামারীতে আকাশপথে চলাচল বন্ধ হওয়াটাই ছিল সেই সময়ে কর্মী সংখ্যা কমে যাওয়ার মূল কারণ।
পশ্চিমা দেশগুলোয় কেবিন ক্রু তুলনামূলকভাবে কম বেতনের চাকরি। সেজন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে চীনে উড়োজাহাজ পরিষেবায় যুক্ত হতে ব্যাচেলর ডিগ্রির প্রয়োজন। তার সঙ্গে প্রয়োজন সরকারি তত্ত্বাবধানে ইংরেজি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার চ্যালেঞ্জ।
দেশের অভ্যন্তরে উড়োজাহাজ চলাচল গতি ফিরে পাচ্ছে। বিশ্বের জনপ্রিয় গন্তব্য শহরগুলোর সঙ্গেও স্থাপিত হচ্ছে যোগাযোগ। ফলে শিয়ামেন এয়ারলাইনস, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনস ও স্প্রিং এয়ারলাইনসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সম্প্রতি জনবল নিয়োগ দেবে। সিদ্ধান্ত এমন সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন ১ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার চীনা শিক্ষার্থী চাকরির জন্য অপেক্ষমাণ। এক দশকের মধ্যে প্রার্থীর এ সংখ্যা সর্বোচ্চ। বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্দাবস্থা রফতানি বাণিজ্যকে স্তিমিত করে দিয়েছে। কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটছে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও আবাসন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে। বিপরীতে কেবিন ক্রুর বেতন সাধারণত ১০-২০ হাজার ইউয়ানের মধ্যে। তাছাড়া রয়েছে বিশ্বভ্রমণের সুযোগ।










