পূর্ব এশিয়ার দেশ মঙ্গোলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি রফতানিসহ বাণিজ্যিক সম্পর্ক
জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স
অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) এফবিসিসিআই’র গুলশান কার্যালয়ে মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত
গ্যানবোল্ড দ্যামবাজাভের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান এফবিসিসিআই
সভাপতি মাহবুবুল আলম।
বাংলাদেশ ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যে প্রাচীনকাল থেকে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায়
রয়েছে উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যে
বাণিজ্য সম্প্রসারণ ক্ষেত্রে বেশকিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে। যেগুলো নিয়ে কাজ করলে উভয়
দেশই দারুণভাবে লাভবান হতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়াজাত
পণ্য, পাদুকা, ওষুধ, প্লাস্টিক আসবাবপত্র, হোম টেক্সটাইল, সিরামিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
এবং ইলেকট্রনিক পণ্য এখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সুখ্যাতি অর্জন করেছে। মঙ্গোলিয়ায়
এসব পণ্য রফতানিতে বিশাল সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাহবুবুল আলম বলেন, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রধানমন্ত্রী
নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে দেশব্যাপী ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের
উদ্যোগ এবং সেখানে শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ কর সুবিধা
প্রদান, ওয়ান স্টপ পরিষেবা প্রভৃতি। যা দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।
এ সময় কৃষি, তৈরি পোশাক ও নির্মাণ খাতের জন্য বাংলাদেশ থেকে দক্ষ
জনশক্তি নেয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ড দ্যামবাজাভ।
তিনি বলেন, মঙ্গোলিয়ার জনসংখ্যা কম হলেও অনেক জমি রয়েছে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাভবান হতে পারে বাংলাদেশ ও মঙ্গোলিয়া।
মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের জন্য কাঁচামালের
অন্যতম বড় উৎস হতে পারে মঙ্গোলিয়া। পাশাপাশি পর্যটন খাত নিয়েও কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন তিনি। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মঙ্গোলিয়া ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআই’র পরিচালক কাওসার আহমেদ,
এফবিসিসিআই আন্তর্জাতিক উইংয়ের কনসালটেন্ট অ্যাম্বাসেডর মাসয়ূদ মান্নান প্রমুখ উপস্থিত
ছিলেন।










