জাকার্তায় ‘ফ্ল্যাগশিপ’ বিনিয়োগ ফোরামে যোগ দিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) নেতারা। ফোরামে ব্লকটির আওতাধীন দেশগুলোর মধ্যে ৩ হাজার ৮০০ কোটি মূল্যের ৯৩টি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা থেকে শুরু করে বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প পর্যন্ত রয়েছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।
আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনের অংশ হিসেবে একই দিনে অনুষ্ঠিত হয় আসিয়ান ইন্দো-প্যাসিফিক ফোরাম (এআইপিএফ)। এটি এমনভাবে পরকিল্পনা করা হয়েছে, যাতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলগুলোর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের জন্য আরো সরকারি এবং বেসরকারি তহবিল সংগ্রহ করা যায়।
প্রথমবারের মতো এই ব্লকের ১০টি সদস্য দেশ কোনো একটি ফোরামে যুক্ত হয়েছে। আসিয়ানের সবচেয়ে বড় সদস্য দেশ ইন্দোনেশিয়া ব্লকটির সভাপতিত্ব করেছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করতে চান।
জোকো উইডোডো এআইপিএফের উদ্বোধন করেন। তিনি সে সময় জানান, ৩ হাজার ৮২০ কোটি ডলারের ৯৩টি প্রকল্প এবং আরো সম্ভাব্য ১ হাজার ৭৮০ কোটি ডলারের ৭৩টি প্রকল্পকে সংযুক্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা যৌথ বিনিয়োগ করার জন্য আসিয়ানভুক্ত দেশ ও অংশীদারদের সমর্থন ও অবদানের প্রশংসা করি।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এন্টারপ্রাইজের ভাইস মিনিস্টার রোসান রোজলানি সাংবাদিকদের জানান, এআইপিএফ একটি ব্যবসায়িক ম্যাচিং ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করছে, যেখানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ১২৯টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮০ কোটি ডলারের অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপন করা হবে। বালিতে ৪৩০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত হবে বন্দর। ইন্দোনেশিয়ায় ৪৮০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে অ্যামোনিয়া সার তৈরিতে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুপুক ইন্দোনেশিয়া তার তদারক করবে। এছাড়া ৪৩০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর খাতে। এ প্রকল্প কেবল দেশীয় পর্যায়ে বিস্তৃত থাকবে না। দেশীয় গণ্ডির বাইরে গিয়েও পরস্পরকে সহযোগিতা করবে। আসিয়ানের দেশগুলো যথাযথ বাণিজ্যিক সম্পর্কে আবদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি বাড়াতে থাকবে পারস্পরিক বিনিয়োগ ও সহযোগিতার হাত।










