বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অপ্রত্যাশিতভাবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ফ্রান্সের অর্থনীতি, যা সরকারি পূর্বাভাস ও বিশ্লেষক উভয়কেই অবাক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি তথ্য থেকে এমনটা জানা যায়। রফতানি, শিল্প ও জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি ও ভোগ কমে যাওয়া সত্ত্বেও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ অব্যাহত। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে। 

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিসটিকস অ্যান্ড ইকোনমিক স্টাডিজের (আইএনএসইই) পরিসংখ্যান অফিসের তথ্যানুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এপ্রিল-জুনে দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের চেয়ে জুলাইয়ের প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি ও বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে ভালো।

রফতানি, শিল্প, উৎপাদন খাত ও জ্বালানি শক্তি উৎপাদনের ইতিবাচক পারফরম্যান্স প্রবৃদ্ধিকে চালিত করেছে, যা ক্রেতাদের মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জের কারণে গৃহস্থালির ব্যয়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করেছে় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এর প্রধান দুটি কারণ হলো জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়া ও খাদ্যদ্রব্যে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা শীতল হওয়া, যা দেশটির ইতিবাচক অগ্রগতি চিহ্নিত করে।

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সরকার এ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিকে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করেছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এমন প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক বলেই দেখছে ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট। ফ্রান্সের অর্থনীতি মন্ত্রী ব্রুনো লে মাইরে একে অসাধারণ অর্জন বলে অভিহিত করেছেন। 

তিনি আরো জানান, রফতানি ফরাসি প্রবৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। ২০২২ সালে ফ্রান্সের অর্থনীতি তার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রসারিত হয়েছিল।