সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলেও জানিয়েছে কোম্পানিটি। সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৮ মে ডিএসইতে মেঘনা পেটের শেয়ারদর ছিল ২৮ টাকা ৫০ পয়সা। এর পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। গত ৩১ মে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়ে ৪৯ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। এর পর থেকে অবশ্য এর শেয়ারদর নিম্নমুখী। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটি শেয়ারদর ছিল ৩৯ টাকা ৩০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫২ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। পাশাপাশি এ সময়ে কোম্পানিটি শেয়ার লেনদেনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ পয়সা। অন্যদিকে সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৭৩ পয়সা। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি মেঘনা পেট। ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডাররা কোনো লভ্যাংশ পাননি।