নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর কারণে তামা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছে। তবে যে হারে উত্তোলন কমানো হয়েছে, ধাতুটির বেচাকেনা তার চেয়েও বেশি কমে গেছে। এ পরিস্থিতিতে বছর শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে তামা উদ্বৃত্ত থাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময় ব্যবহারিক ধাতুটির উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে সর্বোচ্চ তিন লাখ টনে। বিশ্বের শীর্ষ তামা উত্তোলনকারী দেশ চিলির প্রভাবশালী কনগ্লোমারেট আন্তোফাগাস্তা পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইভান অ্যারিগাদা এ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স ও মেটাল বুলেটিন।

খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান আন্তোফাগাস্তা পিএলসির প্রধান বলেন, আগামী দিনগুলোয় ধাতুর বাজারে তামার দরদাম নিয়ে এখনই কোনো সম্ভাবনার কথা বলা যাচ্ছে না। এটা অনেকটাই নির্ভর করবে ব্যবহারিক ধাতুটির ঘাটতি ও উদ্বৃত্তের ওপর। নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে তামার চাহিদা যে হারে কমেছে, তাতে চলতি বছর শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবহারিক ধাতুটির উদ্বৃত্ত দু-তিন লাখ টনে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম দীর্ঘমেয়াদে কমতির দিকে থাকতে পারে।

এদিকে লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) সর্বশেষ কার্যদিবসে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ৬১ ডলারে বিক্রি হয়েছে। এর আগের দিনও ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ২৩১ ডলারে বিক্রি হয়েছিল।