কভিড-১৯-বিষয়ক অসুস্থতাকে গত সোমবার আইনিভাবে মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সাধারণ অসুখের কাতারে নামিয়ে এনেছে জাপান। এর আগে কভিড-১৯-বিষয়ক সব কঠোরতাও শিথিল করে দেশটি। ফলে বিদেশী পর্যটক আকর্ষণের মাধ্যমে দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতের অর্থনীতিবিদরা ধারণা করছেন, কভিড-১৯ ডাউনগ্রেডের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার পরিমাণ বাড়াতে পারে। খবর কিয়োদো এজেন্সি।

দাই-ইচি লাইফ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী প্রধান অর্থনীতিবিদ হিদেও কুমানো বলেন, ‘‌আনুমানিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিমাণ পৌঁছতে পারে ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইয়েনে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি বা প্রায় ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ইয়েন পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে।’

কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে যারা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হয়েছেন, তারা এখন জাপানে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এ অর্থনীতির গতি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ডলারের বিপরীতে দুর্বল ইয়েনের কারণে বিদেশী দর্শনার্থীরা জাপানে এসে বেশি ব্যয় করতে উৎসাহী হবে।

কভিড-১৯-বিষয়ক নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, কভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে এখন আর কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হচ্ছে না। তাছাড়া যিনি কভিড-১৯ পজিটিভ হবে তিনি বাড়িতে থাকবেন কিনা তা নির্ভর করে খোদ ওই ব্যক্তির ওপর।

যদিও জাপান সরকারের পক্ষ থেকে কভিড-১৯ পজিটিভ হলে পাঁচদিনের জন্য বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।