করোনা মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অন্যান্য দেশের মতো ইন্দোনেশিয়ারও সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন অবস্থায় দেশটি প্রধান ফসলের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইন্দোনেশিয়া হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম আমদানিকারক। কারণ এ অঞ্চলের মানুষ রুটি, পাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে এ অঞ্চলে শস্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় দেশটি জোয়ার, সাগো ও কাসাভা উৎপাদনের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। কারণ দেশটি কিছু উৎপাদনকারী দেশ থেকে দীর্ঘায়িত রফতানি নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছে। জোকোই ২০২৪ সাল পর্যন্ত অন্তত ৩০০ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে।
ইন্দোনেশিয়া মূলত অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন, কানাডা, আর্জেন্টিনা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গমের ওপর নির্ভর করে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতো জিনিস তৈরি করত, যা ইন্দোনেশিয়ার খাদ্যের একটি প্রধান অংশ। সোরঘাম আটার একটি গঠন এবং ঘনত্ব রয়েছে যা অনেকটা গমের আটার মতো।










