চলতি বছরের নভেম্বরে ব্রাজিলের কফি রফতানি কমেছে। সরবরাহ চেইনে সংকটের কারণে রফতানিতে নিম্নমুখিতা দেখা দেয়। পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে উৎপাদন ঘাটতিও এক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছে। দেশটির কফির রফতানিকারকদের সংগঠন সিক্যাফের দেয়া তথ্য বলছে, গত মাসে ব্রাজিল সব মিলিয়ে ২৯ লাখ ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি) কফি রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৩৯ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে অ্যারাবিকা কফি রফতানি ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২৪ লাখ ব্যাগে নেমেছে। রোবাস্তা রফতানি করা হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১ ব্যাগ, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৪ দশমিক ৪ শতাংশ কম।

তথ্য বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ খরার সঙ্গে লড়াই করছে ব্রাজিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কফিসহ দেশটির কৃষি খাতে ধস নেমেছে। এর মধ্যেই দেখা দিয়েছে সরবরাহ চেইনে সংকট। কম্পিউটার চিপ থেকে শুরু করে কপি—সব ক্ষেত্রেই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ কারণে রফতানিতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পণ্য খালাসজনিত জটিলতা পরিস্থিতিতে আরো খারাপ করে তুলেছে।

সিক্যাফের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস রয়ডা বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই কনটেইনার সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। এছাড়া বেশির ভাগ সময় জাহাজে পণ্য পরিবহনের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে প্রায়ই ক্রয়াদেশ বাতিল করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন রফতানিকারকরা।