সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে স্কয়ার গ্রুপের তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল পিএলসির মুনাফা বাড়লেও কমেছে স্কয়ার টেক্সটাইলস পিএলসির। গতকাল অনুষ্ঠিত কোম্পানি দুটির পর্ষদ সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে স্কয়ার ফার্মার মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ হাজার ৮১৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে আলোচ্য হিসাব বছরে স্কয়ার টেক্সটাইলসের মুনাফা হয়েছে ১১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচ্য হিসাব বছরে স্কয়ার ফার্মার শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৪৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২৯ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১৮ টাকা ৬৮ পয়সা। অন্যদিকে স্কয়ার টেক্সটাইলসের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৮১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৯৩ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৯৩ পয়সায়। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৬ টাকা ৬২ পয়সা।
কোম্পানি দুটির পর্ষদ আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী, স্কয়ার ফার্মা বিনিয়োগকারীদের ১০৫ শতাংশ ও স্কয়ার টেক্সটাইলস ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৪ ডিসেম্বর স্কয়ার ফার্মা সকাল ১০টায় ও স্কয়ার টেক্সটাইলস বেলা ১১টায় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর।
এছাড়া ব্যবসা সম্প্রসারণে কারখানার ব্যালান্সিং, আধুনিকায়ন, বিস্তার ও প্রতিস্থাপন (বিএমআরই), মূলধনি যন্ত্রপাতি ও জমি খাতে বিনিয়োগের জন্য ৪০০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে স্কয়ার ফার্মা পর্ষদ। অন্যদিকে স্কয়ার টেক্সটাইলস পর্ষদ বিএমআরইর উদ্দেশ্যে ৪৫ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে।










