পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের
পুঁজি সুরক্ষিত রাখতে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাহকরা যাতে পুঁজিবাজার
সম্পর্কে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করেন এবং তার পুঁজিকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন এর জন্য অ্যাপস
ডেভেলপ, অনলাইন ব্যাংকিং, নিজস্ব রিসার্চ সেল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা
দিচ্ছে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ। আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে
ডিজিটাল বুথের উদ্বোধন এবং পুঁজিবাজার সচেতনতা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কর্মশালা
অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের সিইও খন্দকার
সাফফাত রেজা বলেন, যেকোনো বিনিয়োগ বিনিয়োগকারীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অর্থনৈতিক
বিনিয়োগ আমাদের সুরক্ষিত হওয়া উচিত। ২০১০ সালে এই পুঁজিবাজারে অনেক বড় একটি সংকট তৈরি
হয়েছিল। এই সময়ে সব থেকে বড় সমস্যা হলো বিনিয়োগকারী তার শেয়ার মিস সেলিং করেছেন। এই
সময়ে পরে নানা সংকট দেখা দিলে শেয়ারবাজারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্রাঞ্চ খুলতে দেয়নি।
আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের থেকে লং বা শর্ট টার্মে বিনিয়োগ সংগ্রহ করা।
তিনি বলেন, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ সব
সময় চেয়েছে তার হাউজের বিনিয়োগকারী হবেন ওয়েল এডুকেটেড মানে শেয়ার বাজারের খুঁটিনাটি
সম্পর্কে সম্পুর্ণ জ্ঞান রাখবেন। যার কারণে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ নিজস্ব অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট,
অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেম চালু, ওয়েবসাইটে তথ্য প্রনয়ণ, নিজস্ব রিসার্চ সেল তৈরি করার
মতো কাজগুলো করেছে। এমনকি একজন গ্রাহক চাইলে নিজের স্মার্টফোনের মাধ্যমে নিজেই পুঁজিবাজারে
লেনদেন করতে পারেন। আমরা এই সকল কাজ আরো আগেই করেছি। কিন্তু এইগুলো ব্যবহারের অনুমতি
পেয়েছি ১০ বছর পরে। বিনিয়োগকারীরা আমাদের পাশে থাকলে আমাদের কাজ আরো সহজ হবে।
লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ চট্টগ্রামের জেনারেল
ম্যানেজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান আমির হোসেন বলেন, লংকাবাংলা গ্রাহকদের প্রথমে
যেটা নিশ্চিত করতে বলে সেটা হলো পুঁজিকে সুরক্ষিত করা। পুজিকে সুরক্ষিত রাখতে হলে আমরা
দুইটা পরামর্শ দিই গ্রাহক বা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের। প্রথম হলো ভালো একটি কোম্পানিতে
অ্যাকাউন্ট খোলা এবং বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করা। কখনো গ্রাহক যেন তার সব পুঁজি একসঙ্গে
এই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ না করেন। আপনাদের উচিত ছোট ছোট পুঁজি এই বাজারে বিনিয়োগ করে
নিজের পুঁজিকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। এই পুঁজিকে সুরক্ষিত করে রাখতে হলে পড়াশোনার
কোনো বিকল্প নাই। এই জন্য লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ আপনাদের সহায়তা করতে পারে। লংকাবাংলা
সিকিউরিটিজ গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইটে ডেটা অ্যানালাইসিস করা আছে, নিজস্ব অ্যাপসে
বিভিন্ন কোম্পানি সম্পর্কে অনেক ডেটা দেয়া থাকে। গ্রাহক সেগুলো জানতে পারবেন কোন কোম্পানির
বর্তমান অবস্থা কী বা তাদের পোর্টফোলির কী অবস্থা। মূলকথা পুঁজিবাজারে থাকা কোম্পানির
সকল তথ্য লংকাবাংলার গ্রাহকেরা জানতে পারবেন। এতে এই সিকিউরিটিজের মাধ্যমে যারা বিনিয়োগ
করছেন তারা তাদের পুঁজি সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
লংকাবাংলার হেড অব ডিজিটাল ট্রান্সফর্ম
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের মাধ্যমে গ্রাহক দ্রুত ফান্ড ট্রান্সফারের
সুযোগ পাবেন। তাছাড়া ট্রেজারি বন্ড (সরকারি
বন্ড) কেনা, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ সুবিধা, কল সেন্টারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী যাবতীয় তথ্য
আদান-প্রদান, গবেষণা সেলের সঙ্গে যোগাযোগ বা পরামর্শসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে ট্রেজারি বন্ড ও গর্ভনেন্স
সিকিউরিটি বিষয়ে আগ্রাবাদ ব্রাঞ্চের ম্যানেজার ফকরুল আমিন এবং পুঁজিবাজারে লংকাবাংলার
ট্রেড এক্সপ্রেস ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের
এজিএম মো. মিনহাজুল কবির।
এসময় লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের ব্রাঞ্চ
ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, জুবিলি রোড ব্রাঞ্চের ম্যানেজার মহিবুল্লাহ, নাসিরাবাদ ব্রাঞ্চের সিনিয়র ম্যানেজার তারিফুর রহমানসহ লংকাবাংলা
সিকিউরিটিজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাটহাজারী ডিজিটাল বুথের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার
ও সিনিয়র ম্যানেজার মো. কফিল উদ্দিন মুন্নার উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস এম রফিক হাসান, ইউনিক হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার
ইফতেখার উদ্দিন মো আলমগীর, চট্টগ্রাম ইনভেস্টর ফোরামের কনভেনর এস এম আসলাম মোর্শেদসহ
অনান্যরা।










