কোম্পানিটির এজিএম ৪ মার্চের পরিবর্তে আগামী ১৫ এপ্রিল বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল আরামিটের পর্ষদ। এ সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে ৪ মার্চ এজিএম আহ্বান করা হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ২৭ জানুয়ারি।
সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে আরামিটের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২৮ টাকা ৬৭ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আরামিটের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৫ টাকা ৮৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরামিটের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরামিটের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ২৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ৯৯ পয়সায়।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরামিটের অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬০ লাখ। এর ৬০ দশমিক ৭৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৭৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










