নির্ধারিত রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল ও সোমবার কেবল স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেডের। এ সময় ব্যাংকটির ব্লক মার্কেটের লেনদেনও স্পট সেটলমেন্ট সাইকেলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। পরে মঙ্গলবার রেকর্ড ডেট-সংক্রান্ত কারণে ব্যাংকটির লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এক্সিম ব্যাংকের পর্ষদ। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৯ জুন বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট মঙ্গলবার।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে এক্সিম ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। সে হিসাবে আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির ইপিএস কমেছে ৪৫ পয়সা বা ২৩ দশমিক ২০ শতাংশ। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২১ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২১ টাকা ১৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমকি ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এছাড়া ২০১৯ ও ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ করে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল এক্সিম ব্যাংক। ২০১৭ হিসাব বছরে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।










