কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থের ব্যবহার্য থেকে যে উদ্বৃত্ত থাকবে তা কারখানার উন্নয়নে ব্যয় করবে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এ বিষয়ে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন নেবে কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩০ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৮২ পয়সায়।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে আল মদিনা ফার্মার শেয়ারের সমাপনী ও সর্বশেষ দর ছিল ৪০ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১১ টাকা থেকে ৫৮ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসা এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৪ লাখ। এর মধ্যে ৬৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান দশমিক ৪৯, বাকি ২৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।










