মার্চের পর পাউন্ডের সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন হয়েছে। মার্কিন ডলারের তুলনায় মুদ্রাটির মান ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। প্রাথমিকভাবে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো খুচরা বিক্রয় তথ্য আসার পরে দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে ডলারের উত্থানের ফলে এটি আবারো কমেছে। খবর রয়টার্স।

জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার অতিশিথিল মুদ্রানীতি বজায় রাখবে বলে যে প্রতিবেদন এসেছে, সেগুলোও ডলারের দাম বাড়িয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন অনেকে। এদিকে ইউরো স্থিতিশীল ছিল। সপ্তাহ শেষে পাউন্ডের তুলনায় তা দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়েছে। স্থিতিশীল ব্রিটিশ অর্থনীতি এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদহার বৃদ্ধির প্রত্যাশার কারণে স্টার্লিং বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।

সম্প্রতি পাওয়া তথ্যানুযায়ী, জুনে প্রত্যাশার চেয়ে মূল্যস্ফীতি কমার হার বেশি ছিল। ফলে ব্যবসায়ীরা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদহার বৃদ্ধির প্রত্যাশা কমিয়েছে। ক্রমবর্ধমান সুদহার ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তাদের আস্থাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। 

বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন পাউন্ডের পতন অব্যাহত থাকতে পারে। কারণ মূল্যস্ফীতির তথ্য আগ্রাসী সুদহার বৃদ্ধির প্রত্যাশাকে চ্যালেঞ্জ করছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের দল দুটি সংসদীয় আসন হারালেও বরিস জনসনের আগের আসনটি ধরে রেখেছে মুদ্রাবাজারে এসবের খুব কম প্রভাব পড়েছে। ডলার সূচক দশমিক ২৪ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ১-এ দাঁড়িয়েছে। ইয়েনের তুলনায় এটি ১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।