পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের হিসাব বছর একই সময়ে ১২ পয়সা লোকসান হয়েছিল। গতকাল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৭৬ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৫০ টাকা ৮০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে) ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল জিপিএইচ ইস্পাত। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৮ পয়সা, গত হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৮ টাকা ৭৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে) ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে জিপিএইচ ইস্পাত।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে জিপিএইচ ইস্পাতের পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৫ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।
২০২১-২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১৮ পয়সা।
জিপিএইচ ইস্পাতের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফারেটিং)।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৮৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৬২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৮ কোটি ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৬। এর ৪৯ দশমিক ৬১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩২ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল জিপিএইচ ইস্পাত শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৮ টাকা ও ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা।










