চলতি বছর সব মিলিয়ে ৪৯ লাখ টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের প্রত্যাশা করছে রাবার অথোরিটি অব থাইল্যান্ড (আরএওটি)। একই সঙ্গে বছর শেষে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানিও আগের তুলনায় বেড়ে প্রায় ৪২ লাখ টনের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরএওটির গভর্নর নাকোর্ন তানগাভিরাপাত এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর সিনহুয়া ও ব্যাংকক পোস্ট।
থাইল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ। পণ্যটির বৈশ্বিক রফতানির ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ দেশটি এককভাবে জোগান দেয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরএওটির গভর্নর বলেন, করোনা মহামারীর মধ্যেও ২০২০ সালে থাইল্যান্ডে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের সম্মিলিত পরিমাণ ৪৯ লাখ টনে উন্নীত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে মোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, উৎপাদন খাতের চাঙ্গা ভাবের প্রভাব থাকবে থাইল্যান্ড থেকে প্রাকৃতিক রাবার রফতানিতেও। চলতি বছর শেষে দেশটি থেকে প্রাকৃতিক রাবার রফতানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৪১ লাখ ৮০ হাজার টনে। এ সময় প্রাকৃতিক রাবার রফতানি করে থাই রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ হাজার ১২০ কোটি ডলার আয় করতে পারেন। চলতি বছর থাইল্যান্ড থেকে চীন ও ব্রিটেনে সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক রাবার রফতানির সম্ভাবনা দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
নভেল করোনাভাইরাসের মহামারীর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চীনের অটোমোবাইল শিল্প। দেশটির টায়ার তৈরির কারখানাগুলোয় থাই রাবারের চাহিদা বাড়তির দিকে রয়েছে। মূলত এ কারণে থাইল্যান্ড থেকে রাবার আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন চীনা আমদানিকারকরা। রফতানি বাজারে বাড়তি চাহিদা থাইল্যান্ডে পণ্যটির দাম আরো বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরএওটির গভর্নর বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ থাইল্যান্ডের বাজারে প্রতি কেজি প্রাকৃতিক রাবারের দাম ৮০ বাথ (থাই মুদ্রা) বা ২ ডলার ৬৫ সেন্টে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত চীনের বাজারে বাড়তি চাহিদা থাইল্যান্ডে রাবারের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে থাইল্যান্ডে প্রতি কেজি রাবার ৬৬ দশমিক ৭৬ বাথ বা ২ ডলার ২১ সেন্টে বিক্রি হচ্ছে।










