বিদ্যুৎ সংকটে সম্ভাব্য বিনিয়োগ হারানোর ঝুঁকিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম। প্লান্ট নির্মাণে বিলম্ব ও সরবরাহ চুক্তির জটিলতায় আমদানীকৃত গ্যাসকে প্রধান জ্বালানিতে পরিণত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছে না দেশটি, ফলে সৃষ্ট বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। বিষয়টি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বিনিয়োগকারীদের ওপর। খবর রয়টার্স।
যদিও চলতি মাসে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রথম চালান হাতে পেয়েছে ভিয়েতনাম। কিন্তু সমস্যা জর্জরিত দেশটির লোডশেডিং দশা কাটাতে আরো কয়েক বছর ধরে গ্যাস আমদানি করার প্রয়োজন পড়বে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
সাম্প্রতিক রোলিং ব্ল্যাকআউটের কারণে ভিয়েতনামের বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর জরুরি হয়ে পড়েছে। কেননা চীনের বাইরে উৎপাদন বৈচিত্র্য আনতে যেসব বিদেশী বিনিয়োগকারী ভিয়েতনামকে নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করেন, তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে উদ্বেগ।
ভিয়েতনামে অবস্থিত ইউরোপিয়ান চেম্বার অব কমার্সের জরিপ বলছে, জুন পর্যন্ত অর্ধেক ব্যবসার বিনিয়োগই বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারখানাগুলোয় অনেকে বিনিয়োগ স্থগিত করেছেন, অনেকে বিনিয়োগের জন্য খুঁজছেন বিকল্প দেশ।
এলএনজি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থতা হ্যানয়ের জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রার ওপর আরেকটা আঘাত হবে। পরিকল্পনায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লার পরিবর্তে আমদানীকৃত ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গ্যাস ব্যবহারের ওপর জোর দেয়ার কথা বলা হয়েছিল।










