উৎপাদন বৃদ্ধিতে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক রিসার্চ (পিআইভিবি রিসার্চ)। খবর দ্য সান ডেইলি।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, অপরিশোধিত পাম অয়েলের বাজারমূল্যের নিম্নমুখী ধারা যদিও অবাক করেছে, তবু উচ্চফলনের কারণে শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমরা আশা রাখছি।
গবেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারিতে এর উৎপাদন এত কমেছে যে গত ১৪ বছরের তুলনায় এর রফতানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে। ফলে সিপিওর ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য হতে যাচ্ছে গগনচুম্বী, যার ভবিষ্যৎ সরবরাহ বাজারমূল্য টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৯৭৪ মালেশিয়ান রিঙ্গিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
পিআইভিবি রিসার্চে বলা হচ্ছে, গত মাসে প্রধান সব ভোক্তাই মালয়েশিয়ার পাম অয়েল আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। গত বছর চীনের আমদানি কমেছে ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাম অয়েল আমদানি কমেছে যথাক্রমে ১ দশমিক ৪ শতাংশ, ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ ও ৫৩ দশমিক ১ শতাংশ। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমদানি বেড়েছে ১১ শতাংশ।
চীনা চান্দ্র নববর্ষের ছুটির কারণে দীর্ঘ ছুটিতে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় আমদানি-রফতানিতে প্রভাব পড়েছে। পাম অয়েল কর্মীরা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ফলে কর্মী সংখ্যা কমে যাওয়ায় পূর্ব মালয়েশিয়ার উৎপাদন কমেছে বলে জানায় সংস্থাটি।










