চলতি বছরের এপ্রিল-জুনে গত বছরের তুলনায় জাপানের কোম্পানিগুলোর মূলধন ব্যয় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া কর-পূর্ব মুনাফা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মূলত শক্তিশালী বিদেশী চাহিদা উৎপাদনকারীদের সহায়তা করেছে এবং কভিড-১৯ বিধিনিষেধের অবসান পরিষেবা সরবরাহকারীদের সম্ভাবনাকেও বাড়িয়েছে। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে জাপান টুডে।

টানা নবম প্রান্তিকে সব আর্থিকবহির্ভূত খাতের বিনিয়োগ টানা নয় মাস ধরে বেড়ে ১১ দশমিক শূন্য ৯ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে এ বৃদ্ধির গতি চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চে ১১ শতাংশের তুলনায় সামান্য কমেছে। দেশটির মন্ত্রণালয় জানায়, এ প্রান্তিকে কর-পূর্ব মুনাফা ১১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৩১ দশমিক ৬১ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে। টানা দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ লাভের পেছনে গাড়ি নির্মাতা ও অন্যান্য নির্মাতার ভূমিকা রয়েছে। বিক্রি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৩৫৬ দশমিক ৩৭ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে ।

ডাইওয়া সিকিউরিটিজের একজন অর্থনীতিবিদ কোটা সুজুকি বলেন, ‘একটি শক্তিশালী অবস্থার পর মূলধন ব্যয় বৃদ্ধি কমেছে বলে মনে হচ্ছে। জিডিপির তথ্য সম্ভবত সংশোধিত হবে।’

সরবরাহের প্রতিবন্ধকতা দূর হওয়ার পাশাপাশি পরিষেবাগুলোর চাহিদা ক্রমাগত বাড়লেও কোম্পানিগুলো এখনো তাদের প্রাপ্ত ক্রয়াদেশগুলো পূরণ করতে পারেনি। তবু যন্ত্রপাতি কেনার তথ্য এটি নির্দেশ করে যে এখন আক্রমণাত্মকভাবে বিনিয়োগ বাড়ানোর সময় নয়। এদিকে শিল্পোৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে নির্মাতাদের বিনোয়োগ ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে ।

পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা তাদের মূলধন ব্যয় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে মূলধন ব্যয় আগের প্রান্তিকের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। মন্ত্রিপরিষদ অফিস বলছে, জাপানের অর্থনীতি এপ্রিল-জুনে বার্ষিক ৬ শতাংশ হারে বেড়েছে, যা ২০২০ সালের পর থেকে সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণ।