সিঙ্গাপুরে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত ছিল। বেসরকারি পরিবহন ও আবাসন খাত বাদে অন্যান্য খাতকে বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি নির্ণয় করা হয়, যা থেকে গৃহস্থালি খরচ আরো যথাযথভাবে জানা যায়। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি ছিল মার্চের সমান। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে মূল্যস্ফীতির পেছনে প্রধান অনুঘটক হিসেবে মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমস।
ব্লুমবার্গের জরিপে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতির প্রাক্কলন করা হয়েছিল। প্রাক্কলন অতিক্রম করলেও মূল্যস্ফীতি ছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির চেয়ে কম। ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০০৮ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাদ্য ও খুচরা পণ্যে মূল্য তুলনামূলকভাবে কম বাড়লেও পরিবহন খাতের মূল্যস্ফীতির সূচক থেকেছে সবার ঊর্ধ্বে। অর্থনীতিবিদ সেলিনা লিং মনে করেন, মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনাটা কঠিন। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজার এখন পর্যন্ত যথেষ্ট প্রতিকূলে। সরবরাহ চেইন কিছুটা স্বাভাবিক হলেও অনুকূলে ফেরেনি পরিবহন খাত।
সার্বিকভাবে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশে। পেট্রলের দাম কমলেও দাম বেশি ছিল পোশাক, জুতা ও অন্যান্য বিনোদন পরিষেবার। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ, যা সবচেয়ে কম। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বেসরকারি পরিবহন খাতে। এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, চলতি বছরে কোর মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে। সেখানে কোর মূল্যস্ফীতি থাকবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে।










