টানা দুই বছরের মন্দা ভাব কাটিয়ে ২০১৯ সাল শেষে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ব্রাজিলে গমের মজুদ। গত বছর শেষে দেশটিতে কৃষিপণ্যটির সমাপনী মজুদ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়ে সাড়ে ১২ লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও বিজনেস রেকর্ডার।
ইউএসডিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দশকের মধ্যে ২০১৬ সালে ব্রাজিলে গমের সমাপনী মজুদ সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। ওই বছর দেশটিতে কৃষিপণ্যটির মজুদ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৫৬ হাজার টনে। এর পর থেকে ব্রাজিলে গমের সমাপনী মজুদে টানা পতন দেখা গেছে।
২০১৭ সাল শেষে ব্রাজিলে গমের সমাপনী মজুদ আগের বছরের তুলনায় ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৩ লাখ ১১ হাজার টনে। মন্দা ভাবের ধারাবাহিকতায় পরের বছর দেশটিতে কৃষিপণ্যটির সমাপনী মজুদ আরো কমে ১০ লাখ ৫৭ হাজার টনে নেমে আসে বলে প্রতিবেদনে জানায় ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম।
তবে টানা দুই বছরের মন্দা ভাব কাটিয়ে গত বছর চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ব্রাজিলে গমের সমাপনী মজুদ। ইউএসডিএর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সাল শেষে ব্রাজিলে গমের সমাপনী মজুদ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৫৭ হাজার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। মূলত আবহাওয়া অনুকূল থাকায় বাড়তি উৎপাদনের জের ধরে বছর শেষে ব্রাজিলে গমের মজুদ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।










