চলতি বছরের জুনে সৌদি আরবের মূল্যস্ফীতি মে মাসের তুলনায় কমে ২ দশমিক ৭ শতাংশে ঠেকেছে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৮ শতাংশ। খুচরা ও পাইকারি পণ্যের দাম, পরিষেবা খাত, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মতো খাতগুলোর স্থিতিশীলতাই ছিল মূল্যস্ফীতি কমার প্রধান কারণ। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করা হয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদনে। খবর আরব নিউজ

সৌদি আরবের জেনারেল অথোরিটি অব স্ট্যাটিস্টিকস অনুযায়ী, মাসিক হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার সফলতায় ভূমিকা রেখেছে গৃহস্থালি পণ্য, খাতটিতে জুনে মূল্যস্ফীতি কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ। মে মাসের তুলনায় জামাকাপড় ও জুতার মূল্য জুনে নেমে এসেছে দশমিক ৬ শতাংশ। পাশাপাশি বিনোদন ও সংস্কৃতি ব্যয় কমেছে দশমিক ৪ শতাংশ। তবে গৃহায়ণ, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানির দাম বেড়েছে দশমিক ৮ শতাংশ।  

বিশ্বজুড়ে চলমান মন্দা পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের ভোক্তাব্যয় বেড়েছে। তবে আরেক দফা মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তেমন নেই বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আইএমএফের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাহরাইন, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি পৃথিবীর অন্য দেশের তুলনায় কম। তার প্রধান কারণ ভর্তুকি, কিছু পণ্যের মূল্যসীমা বেঁধে দেয়া ও ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী মুদ্রা। 

বার্ষিক ভিত্তিতে সৌদি আরবের মূল্যস্ফীতি এখনো বেশি। ২০২২ সালের জুনে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের জুনে বাসা ভাড়া বেড়েছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। বিশেষ করে অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া বেড়েছে ২২ দশমিক ৮ শতাংশ। পরিসংখ্যান বিভাগ বলছে, ‘‌বাসা ভাড়া বৃদ্ধিই প্রধানত ২০২৩ সালের জুনের মূল্যস্ফীতি সূচকের পেছনে প্রধান অনুঘটক।’