বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) নির্মাণে ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইন্ডিকা এনার্জি ও অন্যান্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। ইন্দোনেশিয়ায় তালিকাভুক্ত ইন্ডিকা এনার্জি এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারী দুই চাকার ইভি ব্র্যান্ড আলভা ওয়ানের নির্মাতা ইলেকট্রা মোটর গ্রুপে (আইএমজি) এ বিনিয়োগ করবে। ইভি খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইন্ডিকার এক শীর্ষ নির্বাহী। খবর নিক্কেই এশিয়া।
আইএমজি হলো ইন্ডিকা এনার্জি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারী আলফা জেডব্লিউসি ভেঞ্চারস ও হরাইজনস ভেঞ্চারসের একটি যৌথ উদ্যোগ।
ইন্ডিকা এনার্জি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ পরিচালক পুরবাজা পান্তজা বলেন, ‘২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আইএমজি আলভা ওয়ান তৈরিতে ১৯ লাখ ডলার ব্যয় করেছে। বছরজুড়ে প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ ডলার ব্যয় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মূলধন ব্যয়ের বাজেট থেকে আমরা কত বিনিয়োগ বরাদ্দ করতে পারি সে বিষয়টি বিবেচনা করছি।’
আইএমজির হোল্ডিং কোম্পানি হিসেবে ইভি খাত সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইন্ডিকা এনার্জি। পুরবাজা পান্তজা বলেন, ‘ইন্ডিকা এখন অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের জন্যও উন্মুক্ত।’
২০২২ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠা হয় আইএমজি। এর পর থেকে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি আলফা জেডব্লিউসি ভেঞ্চারস ও হরাইজনস ভেঞ্চারস থেকে মূলধন সংগ্রহ করে আসছে। আলফা জেডব্লিউসি ও হরাইজনস ভেঞ্চারস মিলে এরই মধ্যে ৭৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া ইন্ডিকা এনার্জি দিয়েছে ৭৫ লাখ ডলার। পান্তজা জানিয়েছেন, আইএমজির কার্যকরী মূলধন চাহিদা পূরণের জন্য ২০২২ সালে স্ট্যান্ডার্ড চ্যার্টার্ড ১ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইএমজি এখন পর্যন্ত দুই চাকার ইভি নির্মাণে ব্যয় করেছে ২ কোটি ৭ লাখ ডলার।
এদিকে ডিলস্ট্রিটএশিয়ার তথ্যানুযায়ী, আইএমজির আলভা ব্র্যান্ড একটি নতুন বিনিয়াগ তহবিলে ৫ কোটি ডলার সংগ্রহের জন্য বিদ্যমান ও নতুন বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
আইএমজি-প্রধান পান্তজা বলেছিলেন, ‘আলভার সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অবশ্যই নতুন তহবিলের প্রয়োজন রয়েছে।’
আইএমজি গ্রুপ গত এপ্রিলে ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও বালিতে একটি বিক্রয় কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। শিগগিরই সেখানে আলভার নতুন মডেল চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাটির। এছাড়া সিকারাংয়ে শিল্প এলাকায়ও কারখানা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বছরে এক লাখ ইউনিট গাড়ি নির্মাণের সক্ষমতা রয়েছে।










