ইন্দোনেশিয়ার অপরিশোধিত পাম অয়েল খাত চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। চলতি বছরের মার্চে ভোজ্যতেলটির উৎপাদন ও রফতানি গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। তবে মাসের শেষ পর্যায়ে অপরিশোধিত এ ভোজ্যতেলের মজুদ ছিল তলানিতে, যা পণ্যটির ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশটির পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশন (জিএপিকেআই) বুধবার এ তথ্য জানায়। খবর রয়টার্স।
এ বছরের মার্চে ইন্দোনেশিয়ায় অপরিশোধিত পাম অয়েল উত্তোলন ৩৭ লাখ ১০ হাজার টনে এসে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ৩২ লাখ ৭০ হাজার টন। সে হিসাবে এক বছরে উত্তোলন ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আগের মাসের তুলনায় ২০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে।
শীর্ষস্থানীয় উৎপাদকদের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত পাম রফতানি মার্চে ৩ দশমিক ২৪ টনে গিয়ে পৌঁছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৬২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জিএপিকেআইয়ের চেয়ারম্যান জোকো সুপ্রিয়োনো বলেন, ‘স্বল্প মজুদ সত্ত্বেও উত্তোলনের পরিমাণ বাড়ছে। পাশাপাশি মূল্য সংবেদনশীলতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
ইন্দোনেশিয়ার অপরিশোধিত পাম অয়েলের মাস শেষের মজুদের পরিমাণ মার্চে ৩২ লাখ টনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
আরেকটি বিবৃতিতে জিএপিকেআই জানায়, বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য তেলের অনিশ্চিত সরবরাহ পাম অয়েলের চাহিদা বৃদ্ধিতে জোগান দিয়েছে।
জিএপিকেআইয়ের নির্বাহী পরিচালক মুক্তি সার্দজোনো বলেন, পাম অয়েলের চাষ ও উৎপাদনের সম্ভাব্যতা ছিল অনেক বেশি। ফলে অন্যান্য তেলবীজ আবাদ এবং উৎপাদনে অনিশ্চয়তা পাম অয়েলের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় পাম অয়েলের ব্যবহার গত বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টনে পৌঁছেছে। তবে মাসভিত্তিক হিসাবে ব্যবহার কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ।










