চলতি বছরের জানুয়ারি-মে পর্যন্ত তুরস্কের আকরিক লোহা আমদানি বেড়েছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদায় সাড়া দিতে আমদানি বাড়িয়েছে দেশটি। এ সময় ধাতুটির আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। টার্কিশ স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (টিইউআইকে) কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বৈশ্বিক আকরিক লোহা আমদানিতে শীর্ষ স্থানীয় দেশগুলোর একটি তুরস্ক। এক্ষেত্রে দেশটিতে প্রধান আকরিক লোহা সরবরাহকারী ব্রাজিল। টিইউআইকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বছরের প্রথম পাঁচ মাসে তুরস্ক ৪৩ লাখ ৭০ হাজার টন আকরিক লোহা আমদানি করে। আমদানীকৃত এসব আকরিক লোহা থেকে আয় এসেছে ৭২ কোটি ৩২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
টিইউআইকে জানায়, এ বছর তুরস্ক সবচেয়ে বেশি আকরিক লোহা আমদানি করেছে ব্রাজিল থেকে। জানুয়ারি-মে পর্যন্ত দেশটি থেকে ২০ লাখ ৪২ হাজার ২৪৭ টন আকরিক লোহা আমদানি করা হয়। সুইডেন থেকে আমদানি করা হয় ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৫ টন। রাশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৪৪৮ টন। এছাড়া ইউক্রেন থেকে ৫ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫০৯ ও মালি থেকে ৭৬ হাজার ৪২৫ টন আকরিক লোহা আমদানি করা হয়েছে।
এদিকে বছরের প্রথম পাঁচ মাসে আমদানি বাড়লেও মে মাসে কমেছে। টিইউআইকের দেয়া তথ্যমতে, মে মাসে তুরস্ক সব মিলিয়ে ৮ লাখ ৭১ হাজার ৩৮৩ টন আকরিক লোহা আমদানি করে।
এপ্রিলের তুলনায় আমদানি কমেছে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে গত বছরের মে মাসের তুলনায় আমদানি ১১ শতাংশ বেড়েছে। আমদানীকৃত এসব আকরিক লোহার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে, যা এপ্রিলের তুলনায় ৭ শতাংশ বেশি কিন্তু গত বছরের মে মাসের তুলনায় ১৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, শুধু মে মাসে ব্রাজিল থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ১৪৪ টন আকরিক লোহা আমদানি করা হয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কম। ওই মাসে সুইডেন থেকে ৭৯ হাজার ৫৪৩ টন, রাশিয়া থেকে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭০৯ টন ও ইউক্রেন থেকে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৫৪ টন আকরিক লোহা আমদানি করা হয়। মে মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মালি থেকে আমদানি বন্ধ ছিল।










