স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা হারুন-অর-রশিদ মামুন ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর ব্যাংকটির ২৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার ১২৯ শেয়ার অবিক্রীত রয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে তিনি এ শেয়ার বিক্রির জন্য বাড়তি সময় পেয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, শেয়ার বিক্রির নিষিদ্ধ সময়সহ আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ২ লাখ ৪০ হাজার ১২৯টি শেয়ার বিক্রির সময় পেয়েছেন।
২০০৩ সালে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০৬ কোটি ২০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭৩। এর মধ্যে ৩৬ দশমিক ২১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ২৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৩৩ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে দর ৮ টাকা ৬০ ও ৯ টাকা ৩০ পয়সা।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৫ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৩০ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে আড়াই শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬ টাকা ৬৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৬ টাকা ২৪ পয়সা। (পুনর্মূল্যায়িত)।










