মুদ্রার বিশাল এক সংগ্রহের জন্য পরিচিতি লার্স এমিল ব্রুন। ১৯২৩ সালে মারা যান এ ডেনিশ মাখন ব্যবসায়ী। মৃত্যুর আগে নিজের উইলে লিখে যান অদ্ভুত এক নির্দেশ। যে কারণে উইলটি আবিষ্কারের পরও ১০০ বছর ধরে বাক্সবন্দি হয়ে আছে ব্রুনের সংগ্রহ। ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে কয়েন, নোট ও মেডেলের ভাণ্ডার গড়েন তিনি। উইল অনুযায়ী, যদি কোনো কারণে ডেনমার্কের জাতীয় সংগ্রহ ধ্বংস হয়ে যায় তাই জরুরি রিজার্ভ হিসেবে নিজের জমানো স্মারকগুলো রেখে দেয়ার নির্দেশ দেন। সঙ্গে বলে যান, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এক শতাব্দী পর এ সংগ্রহের মালিক হবেন তার উত্তরাধিকারীরা, যারা চাইলে বিক্রি করে দিতে পারেন স্মারকগুলো। অক্টোবরে ব্রুনের উইলের এক শতাব্দী পূর্ণ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০ হাজার আইটেম থেকে ব্যক্তিগত সংগ্রহের প্রথম সেট শিগগিরই নিলামে উঠবে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কয়েন সংগ্রহের অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিরল মুদ্রা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান স্ট্যাক্স বোয়ার্সের মতে, সংগ্রহটির মূল্য আনুমানিক ৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার। ব্রুন ১৮৫৯ সালে শিশু বয়সে তার চাচার কাছ থেকে কয়েন সংগ্রহ শুরু করেন। ব্যবসায় সফল হয়ে তিনি এ শখকে আরো এগিয়ে নেন। এক পর্যায়ে উৎসাহী মুদ্রা সংগ্রাহকে পরিণত হন এবং ১৮৮৫ সালে ডেনিশ নুমিসম্যাটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। তার এ সংগ্রহে রয়েছে ১৪৯৬ সালের কিং হ্যানসের একটি বিরল স্বর্ণমুদ্রা, নিলামে যার দাম উঠতে পারে প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ৫১০ ডলার। ১৪ সেপ্টেম্বর ব্রুনের সংগ্রহ নিলামে তুলতে চলেছে এ-সংশ্লিষ্ট সংস্থা স্ট্যাক্স বোয়ার্স। প্রথম লটে ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেনে ২৮০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা বিক্রি হবে, যার মূল্য ১ কোটি ডলার ছাড়াতে পারে। খবর সিএনএন ও ছবি এপি
এক শতাব্দী অপেক্ষার পর নিলামে ব্রুনের মুদ্রাভাণ্ডার
মুদ্রার বিশাল এক সংগ্রহের জন্য পরিচিতি লার্স এমিল ব্রুন। ১৯২৩ সালে মারা যান এ ডেনিশ মাখন ব্যবসায়ী।










