রাশিয়ার খাদ্য রফতানি খুব দ্রুত বাড়ছে। দেশটির বাজেট আয়ের তৃতীয় শীর্ষ উৎস হয়ে উঠছে এ খাত। চলতি কৃষি বর্ষে রুশ খাদ্য রফতানিতে আগের বছরের তুলনায় ৭০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এসেছে। খবর আরটি।
দেশটির সরকারি তথ্য বলছে, রুশ খাদ্যপণ্যের শীর্ষ আমদানিকারক চীন। এছাড়া প্রচলিত বাজারের মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, মিসর ও কাজাখস্তান। ২০২২-২৩ কৃষি বর্ষে দেশটি ৪ হাজার ১৬০ কোটি ডলারের ৬ কোটি টন খাদ্যশস্য রফতানি করেছে বলে জানায় কৃষি মন্ত্রণালয়।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান সময়ে রাশিয়ার কৃষি-শিল্প খাত প্রবৃদ্ধিতে আছে। গত বছরের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে রফতানি। কৃষিপণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রফতানি হয় খাদ্যশস্য। তবে রফতানিতে তেলবীজ, মাখন, উদ্ভিজ্জ তেল ও সূর্যমুখী তেলেরও বড় হিস্যা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, খাদ্যশস্যের বাম্পার ফলন শীর্ষ রফতানিকারক হিসেবে দেশটির অবস্থান শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও ঊর্ধ্বমুখী দামের চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে। রাশিয়ার রেকর্ড রফতানির কারণে বিশ্ববাজারে গমের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
আরজিইউর বিশ্লেষক বিভাগের পরিচালক ইলিনা তুরিনা বলেন, ‘লাতিন আমেরিকার দেশগুলো রাশিয়ান গমের নতুন ক্রেতা হয়ে উঠেছে।’ রাশিয়া প্রতি বছর ১৩ কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি ৫ কোটি ৫০ লাখ টন রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে দেশটির। রাশিয়ার উপকৃষিমন্ত্রী ওকসানা লুট এমনটা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে অনেক দেশ রাশিয়া থেকে খাদ্যশস্য কিনতে অস্বীকৃতি জানালেও দেশটি খুব ভালোভাবেই রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। ক্রেতা দেশের সংখ্যা কমে গেলেও বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছি আমরা।’










