আর্জেন্টিনার কৃষিপ্রধান অঞ্চলগুলো আরো একটি খরার কবলে পড়তে যাচ্ছে। এতে গম উৎপাদন ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্প্রতি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রোজারিও গ্রেইনস এক্সচেঞ্জ (আরজিই)। চলতি বছরের শুরুতে ৬০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র খরার কবলে পড়েছিল দেশটি। সে ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারো খরার পূর্বাভাস জানাল সংস্থাটি। খবর এগ্রিকালচার ডটকম।
তীব্র খরা ও কম বৃষ্টিপাতে গমের পাশাপাশি অন্যান্য শস্য উৎপাদনও ব্যাহত হতে পারে। যদিও এক্সচেঞ্জ এখনো ২০২৩-২৪ বিপণন বছরের ফলন পূর্বাভাস সংশোধন করেনি। সর্বশেষ পূর্বাভাসে ১ কোটি ৫০ লাখ টন গম উৎপাদনের কথা বলেছিল সংস্থাটি।
প্রক্রিয়াজাত সয়াবিন ও ভুট্টা ছাড়াও আর্জেন্টিনা বিশ্বের অন্যতম গম রফতানিকারক। দেশটির সবচেয়ে উর্বর কৃষিজমিগুলো কম বৃষ্টিপাতের সমস্যায় ধুঁকছে। ২০২১-২২ মৌসুমে ২ কোটি ৩০ লাখ টন গম উৎপাদন হয়েছিল আর্জেন্টিনায়। কিন্তু তীব্র খরায় গত মৌসুমে উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে।
এক্সচেঞ্জ জানিয়েছে, আর্জেন্টিনায় মোট গম উৎপাদনকারী এলাকার পরিমাণ ১০ লাখ হেক্টর (২৪ লাখ ৭০ হাজার একর)। এর মধ্যে চার লাখ হেক্টর জমিকে স্বাভাবিক ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আর এক লাখ হেক্টর জমি বাজে ক্যাটাগরিতে রয়েছে। অর্থাৎ এ এক লাখ হেক্টর জমিতে খরার প্রভাব তীব্রভাবে দেখা দিতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরূপ আবহাওয়ায় কিছু জমি পশুচারণ ভূমি হিসেবে অনাবাদিই থেকে যাবে।
আরজিইর পূর্বাভাসমতে, কৃষকরা ২০২৩-২৪ মৌসুমে ৮৫ লাখ হেক্টর জমিতে ভুট্টা আবাদ করবেন। এসব জমির মোট ফলন ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৬০ লাখ টন।










