টানা চার প্রান্তিক ধরে বিক্রি বাড়ার পর কোম্পানিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আয়ের ইতিবাচক পূর্বাভাস ঘোষণার পর পরই শেয়ারবাজারে স্টারবাকসের শেয়ারদর ৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে গত বুধবার। খবর রয়টার্স।
স্টারবাকস জানায়, ২০২৬ সালের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ ডলার ৫৫ সেন্ট থেকে ২ ডলার ৬৫ সেন্ট হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির আগের পূর্বাভাস ছিল ২ ডলার ২৫ সেন্ট থেকে ২ ডলার ৪৫ সেন্ট।
একইভাবে বিক্রির পূর্বাভাসও সংশোধন করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বৈশ্বিক পর্যায়ে বিক্রি প্রায় ৬ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশা করছে কফি চেইনটি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি বাড়তে পারে ৬ শতাংশের বেশি। এর আগে বৈশ্বিক ও মার্কিন বাজারে বিক্রির প্রবৃদ্ধি অন্তত ৫ শতাংশ হবে বলে ধরা হয়েছিল। স্টারবাকসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রায়ান নিকোল বলেন, ‘আমাদের ব্যবসার ইতিবাচক গতি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।’
ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকদের প্রাক্কলন ছাড়িয়ে গেছে স্টারবাকসের সর্বশেষ প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) আয় ও মুনাফা। এ সময় উত্তর আমেরিকার বাজারে বিক্রি বেড়েছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। সেখানে গ্রাহক উপস্থিতি বা ট্রাফিক বেড়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ।
ব্যবসা গুছিয়ে আনতে ‘ব্যাক টু স্টারবাকস’ কৌশল গ্রহণ করেছেন সিইও ব্রায়ান নিকোল। এ ব্যবস্থার আওতায় ক্যাফে সংস্কার ও কর্মী ব্যবস্থাপনায় বাড়তি বিনিয়োগ করা হচ্ছে। মেনুতে পরিবর্তন এনে অজনপ্রিয় পানীয় বাদ দেয়া হয়েছে। দুপুর বা বিকালের দিকে গ্রাহক টানতে ‘রিফ্রেশারস’ লাইনের বিক্রি জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি।
কফি চেইনটি ফক্স নিউজকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলে, কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রতিটি বিভাগের কাজের ওপর কড়া নজর রাখছেন। এছাড়া স্টারবাকস ব্যস্ত সময়ে দোকানে কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়েছে।
মোবাইল অ্যাপ ও দোকানে সরাসরি আসা অর্ডারগুলোও দ্রুত সরবরাহ করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
সিইও চলতি বছরের শুরুতে জানান, কোম্পানিটি লোকসান কাটিয়ে উঠছে। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানির বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি।









