আগামী বৃহস্পতিবার রাজপরিবারের বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণীতে এ নতুন তথ্য যুক্ত করা হবে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসস্থান বাকিংহাম প্যালেস সূত্র জানা গেছে, রাজপরিবারের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আনা এবং জনসাধারণের কাছে নিজেদের জবাবদিহিতা আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য বিবরণীতে মূলত ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত রাজার দেয়া করের হিসাব থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার’ থেকে অর্জিত মুনাফা, রাজার ব্যক্তিগত বিনিয়োগ এবং স্যান্ড্রিংহাম ও বালমোরালের মতো নিজস্ব ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে আসা আয়ের ওপর দেয়া কর।
উল্লেখ্য, ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার হলো একটি বিশাল সম্পত্তি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যা থেকে গত বছর প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড মুনাফা অর্জিত হয়েছে এবং এটি রাজা তৃতীয় চার্লসের আয়ের প্রধান উৎস।
বাকিংহাম প্যালেসের এক মুখপাত্র জানান, এটি রাজপরিবারকে আধুনিক ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নেয়ার একটি চলমান প্রক্রিয়া।
ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী কোনো রাজা বা রানীর আয়কর, উত্তরাধিকার কর কিংবা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স (সম্পদ বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত মুনাফার ওপর প্রযোজ্য কর) দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে রাজা তৃতীয় চার্লস সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় তার ব্যক্তিগত আয় ও সম্পদ বিক্রির ওপর নিয়ম মেনে কর পরিশোধ করেন।
কিং চার্লসের ব্যক্তিগত করের হিসাবটি ‘সোভেরেন গ্র্যান্ট’ বা সার্বভৌম অনুদানের বার্ষিক রিপোর্টের সঙ্গে একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে। সার্বভৌম অনুদান হলো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে রাজপরিবারকে দেয়া বার্ষিক সরকারি তহবিল। এ অর্থ দিয়ে রাজপ্রাসাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, প্রাসাদের রক্ষণাবেক্ষণ ও রাজকীয় সফরের যাবতীয় খরচ চালানো হয়। চলতি বছর অনুদানের পরিমাণ রেকর্ড ১৩ কোটি ৭৯ লাখ পাউন্ডে পৌঁছেছে, যার একটি বড় অংশ বাকিংহাম প্যালেসের সংস্কারকাজের জন্য বরাদ্দ।










