স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে ‘এআই অ্যান্ড আইওটি রেভোল্যুশন: ড্রাইভিং ইনোভেশন বিয়ন্ড বাউন্ডারিস’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) বিষয়ে বাস্তব দক্ষতা অর্জন ও উদ্ভাবনী চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করা।
কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল তুষার। বক্তৃতায় তিনি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে এআই ও আইওটি প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ড. তুষার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টারনেট অব থিংস কোনো ভবিষ্যতের ধারণা নয়। বরং আজকের যুগের অর্থনৈতিক রূপান্তরের চালিকাশক্তি। এ প্রযুক্তিগুলোর সঠিক প্রয়োগ কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবহন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে।’
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন এবং রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হুসাইন।
এ সময় তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে বর্তমান শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় অভ্যস্ত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গবেষণা, উদ্ভাবন ও বাস্তব প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রায়োগিক সেশনে আইওটি ডিভাইস সংযোজন, রিয়েল-টাইম ডেটা মনিটরিং ও এআই অ্যালগরিদমের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে হাতে-কলমে কাজ করেন।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. শারমিন পারভীন ও অতিথি ছিলেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শীল। এ সময় তারা দুজনই মূল বক্তা ও অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
কর্মশালাটি বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে আশা প্রকাশ করেছে স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
—বিজ্ঞপ্তি










